শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

কক্সবাজারে বিদ্যুৎ নিয়ে সু-খবর

বিশেষ প্রতিবেদক : কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ও খুরুশকুল বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন গড়ে ৭ শত থেকে সাড়ে ৭ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। যা প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রীডে। এর বিপরীতে কক্সবাজার জেলায় প্রতিদিন গড়ে চাহিদা ২০০ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) কক্সবাজার সূত্র বলছে এখন চাহিদার পুরোটাই বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে। এটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিন্তু জেলাবাসি বলছেন, তাহলে লোডশেডিং এর কারণ কি? প্রতিদিন গড়ে ৩-৪ বার লোডশেডিং এর কবলে পড়তে হচ্ছে কেন?

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) কক্সবাজার কার্যালয়ের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের গণি জানান, কক্সবাজার জেলায় প্রতিদিন গড়ে চাহিদা ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর মধ্যে পিডিবির অধিনে কক্সবাজার শহরের চাহিদা ৪৫ মেগাওয়াট আর পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা ১৫৫ মেগাওয়াট।

তিনি বলেন, গত সপ্তাহে চাহিদার কিছু বিদ্যুৎ সংকট ছিল বা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এটা দূর হয়েছে। এখন পুরোটাই বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে।

কিন্তু তারপরও লোডশেডিং এর কারণ কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, লাইনের জটিলতার বা বিভ্রাটের কারণে মেরামতের জন্য বা কারিগরি সমস্যাগত কারণে কিছু কিছু এলাকায় লাইন বন্ধ করতে হয়। এটা দ্রæত সময়ের মধ্যে উত্তোরণ সম্ভব হবে এবং জেলাবাসি তাদের কাংখিত বিদ্যুৎ পাবেন।

সোমবার দুপুরে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী গোলাম আহমদ জানান, সোমবার কোন প্রকার লোডশেডিং নেই। কিছুদিন আগের সংকট কেটে গেছে। এখন চাহিদার দিনে ১১৯-১২০ মেগাওয়াট এবং রাতে ১৪০-১৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।

কক্সবাজারের মহেশখালী মাতারবাডীর ১২০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রতিদিন গড়ে ৬৩০ থেকে সাড়ে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এ ছাড়াও কক্সবাজারের খুরুশকুল বায়ু বিদ্যুৎ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। এর সুফল কক্সবাজার জেলাবাসি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888